হুয়াওয়ে বাংলাদেশ ফিউশন সোলার সামিট অনুষ্ঠিত

৩১ আগষ্ট, ২০২৩ ১৩:০২  

দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা ও ভবিষ্যতের ওপর আলোকপাত করতে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘হুয়াওয়ে বাংলাদেশ ফিউশন সোলার সামিট ২০২৩’ । সামিটে ফিউশন সোলার টেকনোলোজির সম্ভাবনাময় দিক এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে প্রয়োজনীয় সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন আলোচকেরা।

এসময় প্রধান অতিথি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশের বিদ্যুৎখাতকে স্বনির্ভর করে তুলতে আমাদের সৌরবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের ভবিষ্যতের স্বার্থে টেকসই জ্বালানি নিশ্চিত করতে সকল সহযোগীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি। এক্ষেত্রে হুয়াওয়ের ডিজিটাল পাওয়ার সল্যুশন সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী।”

সভাপতির বক্তব্যে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া ডিজিটাল পাওয়ার বিজনেস ডিপার্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লিয়াং উইক্সিং বলেন, “বর্তমান সময়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সবচেয়ে জরুরি। ২০২৩ সালের জুনের হিসাব অনুযায়ী, গ্রাহকদের জন্য আমরা ৮৪৫.৫ বিলিয়ন কিলোওয়াট-আওয়ার গ্রিন পাওয়ার উৎপাদন করেছি। এতে ৩৫.৫ বিলিয়ন কিলোওয়াট-আওয়ার বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়েছে। যুগোপযোগী উদ্ভাবন এবং ইনটেলিজেন্ট আপগ্রেডের মাধ্যমে একটি উন্নত বিশ্ব নির্মাণ করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে হুয়াওয়ে। ডিজিটাল পাওয়ার সল্যুশনের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের জন্য একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানে এই খাতের একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন সিম্পা সোলার লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার গোবিন্দ মজুমদার। এই আয়োজনে ১২০ জনেরও বেশি ইন্ডাস্ট্রি লিডার, খাত-বিশেষজ্ঞ ও সহযোগী অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সৌরশক্তির নানাবিধ প্রয়োগের ও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে বেশ কয়েকটি সেশন আয়োজিত হয়। সেশনে কীভাবে ফিউশন সোলার ইউটিলিটি স্মার্ট পিভি বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারে, দেশকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে সক্ষম করে তোলা যায়, নিরবছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের ক্ষেত্রে জ্বালানি স্টোরেজ সিস্টেমের গুরুত্ব এবং বাণিজ্যিক, আবাসিক ও শিল্পখাতের জন্য আলাদা ফিউশন সোলার সল্যুশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।